আগামী ২৬ জুলাই ই-ক্যাব নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল করিম
স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা
২২ জুলাই ২০২৫
| ছবি: নয়া চাঁদ
ই-কমার্স খাতের বাস্তব উদ্যোক্তা, মহাসাগর গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ সাইফুল করিম আগামী ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত্ব ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (e-CAB) এর নির্বাচনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। তিনি শুধুমাত্র একজন প্রার্থী নন, বরং একজন বাস্তব ই-কমার্স উদ্যোক্তা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডাস্ট্রির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দলমত নির্বিশেষে সকলের আস্থা কুড়াতেও সক্ষম হয়েছেন মুহাম্মদ সাইফুল করিম।
সাইফুল করিমের নেতৃত্বে পরিচালিত মহাসাগর গ্রুপ এর অধীনে বর্তমানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
🔹 মহাসাগর আইটি সলিউশন
🔹 আপন কমিউনিটি (রিয়েল এস্টেট)
🔹 মহাসাগর ডোমেইন অ্যান্ড হোস্টিং
🔹 আল আযহার ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
🔹 মহাসাগর ট্রেনিং ইনস্টিটিউট
🔹 রোব বাংলাদেশ (পাঞ্জাবি প্রোডাকশন)
🔹 মালাবিস ফ্যাশন
🔹 মহাসাগর ড্রপশিপিং
🔹 হায়া বাই রোব (লাইফস্টাইল ফ্যাশন ব্র্যান্ড)
তিনি JCI Dhaka Pioneer-এর ডিরেক্টর এবং Positive Network-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
সাইফুল করিম বলেন,
> “আমি নির্বাচিত হই বা না হই, ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির ছোট উদ্যোক্তাদের স্বপ্নপূরণে পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ। আমি চাই সবাই মিলে এই সেক্টরকে আরও শক্তিশালী করি — স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনার মাধ্যমে।”
তিনি বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI-based) প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্ব দিতে চান যাতে ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হন।
এই নির্বাচনে তিনি ভোটারদের কাছে একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর, উদ্যমী এবং একতাবদ্ধ ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার জন্য সমর্থন কামনা করেছেন।
<div style="background:#eeeeee;border:1px solid #cccccc;padding:5px 10px;">দেশে ব্যবসায়ী কাজের ব্যস্ততার পাশপাশি ব্যবসার উন্নতি সাধনে ব্যবসায়ীক কাজে বিদেশে সফরে গিয়েছেন দৈনিক নয়া চাঁদ পত্রিকার সহ-সম্পাদক ও মহাসাগর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম করিম(সাইফুল করিম) তিনি গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক শাহজালাল বিমান বন্দর হয়ে বিদেশ গমন করেন। তিনি সকলের দোয়া কামনা করেন। তার সফর সঙ্গী হিসেব রয়েছে তারই বন্ধু শাহদাত হোসেন। প্রথমে আবুদাবির দুবাইতে পরবর্তীতে সাউথ আফ্রীকা সহ বিভিন্ন দেশে সফর শেষে সৌদি আরবে গিয়ে ব্যবসায়ীক কাজ শেষে উমরাহ পালন করে দেশে ফিরবেন বলে জানাগেছে।</div>
<p><strong>দুবােই </strong> <strong><span dir="auto">শারজাহ</span> এয়ারপোর্ট নেমে তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লিখেন- <span dir="auto">গুড মর্নিং শারজাহ এয়ারপোর্ট (দুবাই),.... </span><span dir="auto">ভ্রমণ শুধু ঘোরাঘুরি নয়, এটি নিজের জন্য এক অনন্য উপহার। </span><span dir="auto">ভ্রমণ করলে মন ভালো থাকে, কাজের গতি বাড়ে, নতুন অনুপ্রেরণা জন্মায়। </span><span dir="auto">ভালো-মন্দ বুঝার সুযোগ হয়, আর পৃথিবীকে জানার জানালা খুলে যায়। </span><span dir="auto">কারণ ভ্রমণের প্রতিটি মুহূর্তই শিক্ষা, আনন্দ আর নতুন অভিজ্ঞতার সমন্বয়।</span></strong></p>
<p><strong><span dir="auto">তার সফর সুফল হউক। পাঠকের নিকট দোয়া কামনায় এমন প্রত্যাশায়।</span></strong></p>
<p> </p>
<p><br />
এবি ব্যাংক পি এল সি ও ফিল্পস লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। যার অধীনে এবি ব্যাংক তারা গ্রাহকদের ডিজিটাল ঋণ সুবিধা প্রদান করবে, যা ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং পরিধি প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এবি ব্যাংক পি এল সি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ মিজানুর রহমান এবং ফিল্পস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ধাকাল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষর কালীন সময়ে উপস্থিত ছিলেন এ বি ব্যাংক পি এল সি এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াজুল ইসলাম, জেড এম বাবর খান ও মহাদেব সরকার এফসিএ। </p>
<p>ফিল্পস লিমিটেডের প্রতিনিধিত্বকারী রসিকঋষিকেশ নেপাল, চিপ পার্টনারশিপ অফিসার, অভিষেক ছেত্রী, চিফ স্টাফ অফিসার ও তুষার হাসান কান্ট্রি, ম্যানেজার বাংলাদেশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন</p>
<p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান ওমর ফারুক খান। এর আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব পালন করেছেন। <br />
ওমর ফারুক খান ২০২৮ সাল ৩০ জুলাই তারিখে বয়স ৬৫ বছর হওয়া পর্যন্ত এমডি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। গত রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইস্যুকৃত এক চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। আগামী ১৫ আগস্ট শুক্রবার জেলাবাসী তাকে সংবর্ধণা দেয়ার কথা রয়েছে। নব নিযুক্ত এমডি ওমর ফারুক খানের গ্রামের বাড়ী রায়পুর উপজেলার বামনী ইউনিয়নের খায়ের হাটের এলাকার খান বাড়ী।<br />
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ওমর ফারুক খান ইসলামী ব্যাংকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িয়ত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকিং খাতে ৩৭ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।<br />
তিনি ইসলামী ব্যাংকের অন্যতম বৃহৎ অপারেশনাল ইউনিট আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং উইং, স্থানীয় কার্যালয়, বিভিন্ন ডিভিশন, জোন অফিস ও শাখায় গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দেন।<br />
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৬ সালে ইসলামী ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন ওমর ফারুক খান।<br />
পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি সুইজারল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, মালয়েয়শিয়া ও ভারতে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও ক্রেডিট ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।<br />
উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম শরিয়াহ ভিত্তিক তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক।<br />
নতুন এমডি হিসেবে ওমর ফারুক খানের নিয়োগ ব্যাংকটির পরিচালনায় নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p> </p>
<p>‎‎সয়াবিন উৎপাদ ও বাজারমূখী অর্থনীতিক সম্মৃদ্ধি করার লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরে রামগতিতে দুই হাজার সাতশ কৃষককে নিয়ে প্রথমবারের মত গঠন করা হয়েছে সয়াবিন উৎপাদনকারী কৃষক সমবায় সমিতি। এ সমবায় সমিতিতে কার্যকরী কমিটিতে রয়েছেন সয়াবিন চাষি ২০ জন কৃষক। </p>
<p><strong><em> বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চরগাজী ক্লাস্টারে সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার উদ্যোগে এ সমবায় সমিতির উদ্বোধন করা হয়। </em></strong><br />
‎জানা যায়, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া ২০২৫ সাল পর্যন্ত জেলার কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর সদরসহ নোয়াখালীর সুবর্ণচর ও নোয়াখালী সদরের ৭১ হাজার ৬৬৯ হেক্টর জমিতে ৮৫ হাজার ৮৫৪ সয়াবিন চাষিকে সহায়তার দিয়ে সয়াবিন চাষ নিশ্চিত করেছে। সয়াবিনের এ ব্যবসায়ীক সুযোগকে কাজে লাগীয়ে রামগতির চরগাজী এলাকায় ২৭১০ কৃষকদের মালিকানাধীন সমবায় হিসেবে সরকারি সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধন নেয়। সমবায়টি গুণগত মানসম্পন্ন সয়াবিন বীজের ধারাবাহিক সরবরাহ নিশ্চিত করে স্থানীয় বীজ ব্যবস্থা শক্তিশালী করণ এবং বিদ্যমান নারী বীজ উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।<br />
‎<br />
‎ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জহির আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার হেড অফ সাপ্লাই চেইন এন্ড প্রাইভেট সেক্টরের এনগেজমেন্ট মোহাম্মদ মুজিবুল হক, নোয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণের প্রশিক্ষক শহিদুল ইসলাম, নোয়াখালী সলিডারিডাড প্রকল্প ম্যানেজার মোঃ রাশেদুল ইসলাম ও সাপ্লাই চেইন এর সহকারী ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন সহ অনেকে।</p>
<p>‎ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা সয়াবিন চাষীদের ক্ষমতায়ন, সমবায় গঠন ও বীজ উদ্যোক্তা উন্নায়ন এবং স্থানীয় সয়াবিনের মূল্য সংযোজন প্রচারে সলিডারিডাডের কার্যক্রম ভুয়সী প্রশংসা করেন। তারা কৃষকদের ন্যায্য বাজার মূল্য নিশ্চিত করন, নারী নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ শক্তিশালী করন এবং উপকুলীয় অঞ্চলে বাজার মুখী সয়াবিন উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে এ সমবায়ের ভবিষ্যৎ সাফল্যের উপর দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।<br />
‎অনুষ্ঠান শেষে সমবায় নেত্ববৃন্দের হাতে সমবায় সমিতির নিবন্ধন সনদ হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও দুইজন উদ্যোক্তার মাঝে সয়াফুড ভ্যান ও ২৭জন সয়াবিন সংগ্রহকারী ব্যবসায়ীর মাঝে ব্যবসায়ীক উপকরণ বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।</p>
মহাসাগর গ্রুপের আইটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান "মহাসাগর হোস্ট"-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। গত ১৮ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুর ১২ নম্বরে অবস্থিত দ্য গোল্ডেন সান রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয় এর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহাসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল হাসিম রাশেদ। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন মহাসাগর আইটি সলিউশন-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শিব্বির আহমেদ।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় টকশো ব্যক্তিত্ব ড. ফয়জুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য ইসলামিক বক্তা মাহবুব ইজ্জতউদ্দিন তাহেরী যাবেরী আল মাদানী।
কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন কারী আজিজ আল কায়সার। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন মহাসাগর গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ সাইফুল করিম।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খাতের ২০০-এর অধিক কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (MD), প্রধান নির্বাহী (CEO) ও গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন বিশিষ্টজনেরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (e-CAB) নির্বাচনের বিভিন্ন প্রার্থী ও ভোটাররাও।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ইসলামিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেখানে পরিবেশন করেন দেশের খ্যাতনামা শিল্পী ওবায়দুল্লাহ তারেক এবং কলরব শিল্পীগোষ্ঠীর ইকবাল মাহমুদ।
অনুষ্ঠান শেষে মহাসাগর ডোমেইন ও হোস্টিং সার্ভিস সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর শিব্বির আহমেদ।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও ডিনারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়
প্রতি বছরের ন্যায় চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিল দুই মাস নদীতে ইলিশ শিকার নিষেধাজ্ঞা ছিল। সে সময় ইলিশ শিকার থেকে বিরত থাকার পর পুনরায় পহেলা মে থেকে নদীতে শিকারে যায় জেলেরা। বহু আশা নিয়ে নদীতে মাছ শিকারে গিয়ে হতাশ উপকূলের প্রায় ৫২ হাজার জেলে। যদিও বলা হচ্ছে বর্ষা মৌসুমে ইলিশের ভরা মৌসুম। এসময় জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরার কথা। অথচ লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় ইলিশের আকাল চলছে। হতাশা নিয়েই নদী থেকে ফিরতে হচ্ছে জেলেদের। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের। ৪/৫ জনের এক একটি নৌকায় খরচ হয় সাত থেকে আট হাজার টাকা। মাছ পায় ১৫শ থেকে দুই হাজার টাকা। এতে ঋণের বোঝা প্রতিনিয়তই বাড়তে থাকে। এদিকে অল্প কিছু মাছ ধরা পড়লেও দাম আকাশচুম্বী। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে ইলিশ। আহরণ কম হলেও জেলার ২৫টি ঘাটেই হালি বা পিস অনুযায়ী ইলিশের নিলাম বা ডাক ওঠে। কেজি দরে কখনো বিক্রি হয়নি ইলিশ। লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য বিভাগ প্রতি বছর ২৩-২৪ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন দেখায়।
অভিযোগ রয়েছে সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা, ইলিশের প্রজননের সময় কিংবা মা ইলিশ রক্ষার নিদিষ্ট সময় ক্ষণ সঠিকভাবে হচ্ছেনা। অনুমান নির্ভর তথ্য দিয়ে চলে এসব কর্মযজ্ঞ। নিষেধাজ্ঞার সময় মেঘনার ইলিশ জেলেদের জালে ধরা না পড়ে সাগরে চলে যায়। আর যখন মেঘনার ইলিশ সাগরে চলে যায় তখন আর কোন নিষেধাজ্ঞা থাকেনা। ইলিশ শুণ্য সময় নদীতে মাছ শিকারে গিয়ে হতাশ হয়ে পড়ে জেলেরা। জেলেদের অভিযোগ অফিসে বসে কর্মকর্তারা ‘অনুমান নির্ভর তথ্য’ দেন। কোনো সরকারি-বেসরকারি গণনাকারীকে কখনো কোনো ঘাটে দেখেননি তারা। এসি রুমে বসে মনগড়া হিসেবে প্রকৃত তথ্য আড়াল করছে মৎস্য বিভাগ। মাঠপর্যায়ে কোনো তথ্যই কেউ সংগ্রহ করছে না। এমনটাই অভিযোগ তাদের। যদিও অস্বীকার করছেন জেলা মৎস্য অধিদপ্তর। তারা বলছেন উৎপাদন তথ্য সংগ্রহে ১২টি ঘাটে গণনাকারী রয়েছে।
উপকূলের জেলে আবুল কাশেম জানান, নদীতে ইলিশ অনেকটাই শুণ্য। এখন ভরা মৌসম অথচ অল্প সংখ্য ইলিশ ধরা পড়ছে। তবে রুই-কাতল সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ জালে ধরা পড়ছে। ইলিশ কম থাকায় অনেক জেলে নদীতে যাচ্ছেনা। আবার যারা যাচ্ছে তারা আশানুরুপ ইলিশ পাচ্ছেনা।
এক একটি নৌকা সারাদিন জাল মেরে ৪-৫টি থেকে বড়জোর ৮-১০টি ছোট ইলিশ পাচ্ছে। ইলিশ উৎপাদন কম বলেই দাম বাড়ছে।
জেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, লক্ষ্মীপুরে গত বছর (২০২৩-২৪) ইলিশ উৎপাদন হয়েছে ২৩ হাজার টন। মাছঘাট রয়েছে ২৫টি। এতে প্রতিদিন জেলায় ৮২ টন ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল। ২৫টি ঘাটের প্রতিটিতে গড়ে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন টন বা সাড়ে তিন হাজার কেজি ইলিশ উৎপাদন হয়। কিন্তু ঘাটের ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রতিটি ঘাটে জেলেরা নদী ও সাগর থেকে এসে ঘাটের আড়তদারদের বাক্সে মাছ রাখে। এরপর উন্মুক্ত নিলামে হালি (৪টি) হিসেবে ইলিশ বিক্রি হয়। ইলিশের আকালের কারণে প্রতিদিন সবগুলো ঘাটে ২০ টন ইলিশও পাওয়া যায়নি। কটরিয়া ঘাটের বৃদ্ধ জেলে সালেহ আহম্মদ বলেন, মৎস্য বিভাগ হয়তো ঢাকা-চট্টগ্রাম, চাঁদপুর ও কক্সবাজারের ইলিশের ওজন হিসাব করে সারা দেশে আনুমানিক উৎপাদন তথ্য দেয়। সেখানেও সমস্যা আছে। সব মাছ মোকামে যায় না। হিসাব করতে হবে ঘাট থেকেই। নদীতে ইলিশ নেই। জাল ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন জেলেরা।কটরিয়া মাছঘাটের আড়তদার আলমগীর মোল্লা বলেন, ইলিশের নিলাম ডাক হালি হিসেবে করা হয়। সব ঘাটেই একই নিয়ম। গত ১১ বছর কখনো কাউকে হিসাব নিতে দেখিনি।জুলফিকার বেপারি বলেন, জেলা মৎস্য বিভাগের হিসাব অনুমাননির্ভর। বিভিন্ন ঘাটে গিয়ে মাছ ক্রয় করে চাঁদপুরে বিক্রি করি। কখনো কোনো কর্মকর্তা বা গণনাকারীকে ঘাটে এসে ইলিশের হিসাব নিতে দেখিনি।জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন জানান, জেলায় ২৫টি মাছঘাট আছে। এর মধ্যে সদর, রামগতি, কমলনগর এরূপ ১২টি বড় মাছঘাটে মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে ১২ জন গণনাকারী রয়েছেন। প্রতি সন্ধ্যায় তারা মৎস্য অফিসে ইলিশ আহরণের হিসাব পাঠান। এর মাধ্যমেই মৎস্য বিভাগ ইলিশ উৎপাদনের হিসাব করেন। সাত বছর ধরে একইভাবে উৎপাদন হিসাব নির্ণয় করা হয়। ২০২৩-২৪ মৌসুমে লক্ষ্মীপুর জেলায় ইলিশ উৎপাদন হয়েছে ২৩ হাজার টন।
‘এসএমই ফাউন্ডেশন-ইআরএফ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন চ্যানেল 24 এর বিজনেস রিপোর্টার রাকিব হোসেন আপ্র। তিনি লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান। তার পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের সমাসপুর গ্রামে। বুধবার (২ জুলাই) রাজধানীর পল্টন টাওয়ার ইআরএফ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিক রাকিবের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন মো. মুসফিকুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি দৌলত আকতার মালা ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।
যৌথভাবে এ আয়োজন করে এসএমই ফাউন্ডেশন ও ইআরএফ। সরকারি সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশন সরাসরি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে। এবং ইআরএফ বা ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম জাতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক রিপোর্টারদের শীর্ষ সংগঠন।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের নানামুখী সংকট, সম্ভাবনা ও করণীয় নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ৮২টি প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে রাকিব হোসেন আপ্রসহ ২১ জন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
এ প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে ছিলেন ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, যমুনা টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক (সিএনই) মো. তৌহিদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক মো. মফিজুর রহমান ও এসএমই ফাউন্ডেশনের সহকারি মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ আলম।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে আগর-আতর শিল্প ও মনিপুরী তাঁত শিল্প নিয়ে দুটি রিপোর্ট করেন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সাংবাদিক রাকিব হোসেন আপ্র। যেখানে আগর-আতর ও মনিপুরী তাঁত পণ্য রপ্তানিতে প্রতিবন্ধকতা, সম্ভাবনা ও করণীয় সম্পর্কে তুলে ধরা হয়। রিপোর্ট দুটি বিচারকদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়।